Home / উপজেলা / সীতাকুণ্ড চন্দ্রনাথ ধামকে জাতীয় তীর্থ ঘোষণা করা আজও সনাতনী সম্প্রদায়ের প্রাণের দাবী

সীতাকুণ্ড চন্দ্রনাথ ধামকে জাতীয় তীর্থ ঘোষণা করা আজও সনাতনী সম্প্রদায়ের প্রাণের দাবী

সীতাকুণ্ড চন্দ্রনাথ ধামকে জাতীয় তীর্থ ঘোষণা করা আজও সনাতনী সম্প্রদায়ের প্রাণের দাবী

প্রেমতোষ দাস

নমঃ শিবায় শান্তায় কারণ ত্রয় হে তবে
নিবেদয়ামি চাত্মানাং তংগতিঃ পরমেশ্বর।

কলিযুগের মহাতীর্থ সীতাকুণ্ড চন্দ্রনাথ ধাম সনাতনী সম্প্রদায়ের মহা-মিলনের এক পূণ্যময় তীর্থ স্থান। সনাতন সম্প্রদায়ের ধর্মীয় গ্রন্থ বারাহীতন্ত্রে আছে বিশেষতঃ কলিযুগে ‘বসামি চন্দ্রশেখর মারুহ্য পূর্ণজন্ম ন বিদ্যতে’ অর্থাৎ কলিযুগে আমি চন্দ্র শেখরে থাকবো। সেখানে কোন লোক মৃত্যুবরণ করলে সে আর পূর্ণজন্ম লাভ করবেনা। সনাতন ধর্মে পূর্ণজন্ম লাভকে অভিশাপ বলে বিশ্বাস করা হয়। দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ পীঠস্থান কলিযুগের মহাতীর্থ সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ ধামকে জাতীয় তীর্থ ঘোষণার দাবী-সনাতন সম্প্রদায়ের অনেক দিনের কামনা বাসনা ছিল। জাতীয় তীর্থ ঘোষণার দাবীকে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গত ১৯শে জানুয়ারী ২০০১ইং সীতাকুণ্ডের সনাতন সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ সীতাকুণ্ড উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক দীপক চন্দ্র দে এর সভাপতিত্বে উক্ত সভায় ‘চন্দ্রনাথ ধাম জাতীয় তীর্থ বাস্তবায়ন পরিষদ’ গঠিত হয়।

আহ্বায়ক অশোক ভট্টাচার্য্য এবং সদস্য সচিব প্রেমতোষ দাস। ২০০১ সালে ঢাকায় হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সম্মেলনে সীতাকুণ্ড চন্দ্রনাথ ধাম জাতীয় তীর্থ বাস্তবায়ন পরিষদ প্রতিনিধিত্ব করেন। সেই প্রতিনিধি দলে ছিলেন বিজয় ভট্টাচার্য্য, প্রধান শিক্ষক হরিপদ দেবনাথ, দীপক চন্দ্র দে, স্টেশন মাষ্টার নারায়ণ চন্দ্র গোপ, প্রেমতাষ দাস, সমীর কান্তি শর্মা, গোপাল ভৌমিক, মানিক চন্দ্র চৌধুরী প্রমুখ। আমরা ঢাকায় সীতাকুণ্ড চন্দ্রনাথ ধামকে জাতীয় তীর্থ ঘোষণার জন্য দাবী জানায়। আজ আমাদের মাঝে নেই দীপক চন্দ্র দে, নারায়ণ চন্দ্র গোপ, গোপাল ভৌমিক। মানিক চন্দ্র চৌধুরী এখন মাধবানন্দ নামে সাধক জীবনযাপন করছে।

একসময় সীতাকুণ্ড সনাতনী সম্প্রদায়ের নেতৃত্ব সৃষ্টি হত সীতাকুণ্ড টেম্পল রোড (বর্তমান কলেজ রোডের প্রবেশ মুখে নীহারিকা ফার্মেসী) ডাঃ জগবন্ধু দাশের চেম্বারে। সেখানে সনাতনী সম্প্রদায়ের যে কোন সমস্যা সমাধানের দিক নির্দেশনা দেওয়া হত। স্বাধীনতার পর থেকে সীতাকুণ্ড কেন্দ্রীয় কমিটির পূজা পরিচালনার নেতৃত্ব সৃষ্টি হত বিশেষ করে এডভোকেট অজিত নারায়ণ অধিকারীর বাসায়। তখনকার নেতৃত্ব ছিল সনাতন সম্প্রদায়ের অহংকার। যারা নেতৃত্ব দিতেন তাদের নির্দেশের কোনো অমান্যতা ছিল না। আজকের পূজা উৎসব তীর্থ পরিচালনার নেতৃত্ব যাদের অনুসরণ করে পরিচালিত হচ্ছে ইতিমধ্যে আমরা তাদের অনেককে হারিয়েছি। স্মরণ করছি কমিটির প্রাক্তন সভাপতি ডাঃ জগবন্ধু দাশ, উপদেষ্টা ডাঃ পুলিন দত্ত, ফনিভূষণ বিশ্বাস, অনিল দে, ফনিন্দ্র দাশ, হিরালাল অধিকারী, সীতাকুণ্ড সাইন কমিটির সভাপতি মনিন্দ্রলাল সরকার, সম্পাদক মোক্ষদারঞ্জন দাশ, এডভোকেট নির্মলেন্দু দত্ত, ভূপতি রঞ্জন দাশ, সীতাকুণ্ড সাইন কমিটির সাবেক সম্পাদক বলাই চন্দ্র দে, কেন্দ্রীয় মহাশ্মশান কমিটির সাবেক সভাপতি কবিরাজ চন্দ্র শেখর দেবনাথ, পূজা কমিটির সাবেক সভাপতি কৃষ্ণ প্রসাদ ভট্টাচার্য, অমলেন্দু সেন, শিবেন্দ্র কুমার দাশ, প্রধান শিক্ষক আদিনাথ দাশ, আশুতোষ দাশ, মহেন্দ্রলাল ভট্টাচার্য্য, এডভোকেট ননী গোপাল দত্ত সহ আরো অনেক মহানুভব উদার হৃদয় ব্যক্তিবর্গকে।

সীতাকুণ্ড তীর্থ, দেবোত্তর সম্পত্তি রক্ষা ও উদ্ধারে বিশেষকরে আশ্রম, মঠ, মন্দির পূজা-পার্বন, উৎসব এবং মেলা পরিচালনায় উক্ত পরিষদের সদস্যবৃন্দের কার্যক্রম প্রশংসিত। পূজার রূপকার হিসাবে যারা সনাতনী সম্প্রদায়ের নিকট পরিচিতি লাভ করেছে সীতাকুণ্ড পৌরসভা পূজা উদযাপন পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রেমতোষ দাস, সীতাকুণ্ড মেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক পলাশ চৌধুরী, অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক সমীর কান্তি শর্মা, সীতাকুণ্ড প্রেসকাব সাধারণ সম্পাদক লিটন কুমার চৌধুরী, মেলা কমিটি সদস্য বুলবুল কান্তি লালা, সীতাকুণ্ড মহালয়া উদযাপন পরিষদের সভাপতি বিজয় ভট্টাচার্য্য (প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক সীতাকুণ্ড উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ)। আমরা ক্রমদেশ্বরী কালীবাড়ী প্রতিষ্ঠা, সীতাকুণ্ড দত্তবাড়ী পূজা প্রতিষ্ঠা, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা পূজা উদযাপনে নেতৃত্ব, ঢাকায় ঢাকেশ্বরী মন্দির প্রাঙ্গনে পূজা সম্মেলনে প্রতিনিধিত্বসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন, মঠ, মন্দির উদ্ধারে সক্রিয় ছিলাম। সীতাকুণ্ড চন্দ্রনাথ ধামকে জাতীয় তীর্থ ঘোষণার বাস্তবায়নে ‘চন্দ্রনাথধাম জাতীয় তীর্থ বাস্তবায়ন পরিষদ’ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। চট্টগ্রাম উত্তর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ মূল দাবী আদায়ের লক্ষ্যে বৃহত্তর চট্টগ্রামে মঠ, মন্দির, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, নির্মাণ, রক্ষা এবং উদ্ধারে বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখে আসছে। সনাতন সম্প্রদায়ের প্রাণের দাবী আদায়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ধর্মীয়, সামাজিক প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি, গোষ্ঠী সম্প্রদায় যারা প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে সহযোগিতার হাত প্রসারিত করেছে তাদের প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধা এবং অভিনন্দন। তীর্থ মানে দেবতা বা মহাপুরুষের নামের সঙ্গে যুক্ত পবিত্র স্থান। সমগ্র পৃথিবীতে শত শত তীর্থ স্থান ছড়িয়ে আছে। এগুলো সমুদ্র বা নদীর তীর, পর্বত চূড়া, উপত্যকা প্রভৃতি সুন্দর ও নির্জন প্রাকৃতিক পরিবেশে স্থাপিত হয়েছে। সীতাকুণ্ড এমনি একটি পরিবেশ যার পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর, পূর্বে চন্দ্রনাথ পাহাড়, উত্তরে বারৈয়াঢালা লবণাক্ষ তীর্থ, দক্ষিণে বাড়বকুণ্ড জ্বালামুখী কালীবাড়ী । চট্টগ্রাম থেকে ৩৭ কিলোমিটার উত্তর সীতাকুণ্ড বাজার (মোহন্তের হাট)। সীতাকুণ্ড বাজার হতে টেম্পল রোড কলেজ রোড হয়ে চন্দ্রনাথ পাহাড় পর্যন্ত যাওয়ার পথে যে সমস্ত মঠ, মন্দির, মিশন, তীর্থ স্থান প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সেগুলোর বিবরণ নিম্নরূপ: সীতাকুণ্ড বটতলা রেলওয়ে কালী মন্দির, কুমেধেশ্বরী কালী মন্দির, শ্রীশ্রী ভোলানন্দগিরি সেবাশ্রম, পূজামন্দির (নির্মাণাধীন), গীতা শিক্ষা কেন্দ্র, কাছারী বাড়ি (বিভিন্ন তিথিতে আগত উপজাতি ভক্তদের আশ্রয় স্থান) তারপর সামান্য সামনে কলেজের উত্তর পার্শ্বে শ্রীশ্রী শনি ঠাকুরের মন্দির, সীতাকুণ্ড ডিগ্রী কলেজের পরবর্তী ১০০ গজ পূর্ব দিকে সামনে রাস্তার দক্ষিণ পার্শ্বেই সীতাকুণ্ড মেলা কমিটির কার্যালয়। আরেকটু সামনেই ঐতিহাসিক প্রেমতলা সাধু সন্ন্যাসী ও বৈষ্ণবদের মিলনক্ষেত্র। প্রেমতলা হতে পূর্ব দিকে আনুমানিক ২শ গজ সামনেই রাস্তার বাম পাশে শ্রীশ্রী রাধাগিরীধারী জগন্নাথ জিউ(ইসকন প্রচার কেন্দ্র) সামান্য গেলেই শ্রীশ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী সেবাশ্রম নির্মাণাধীন- এখানে গীতাসংস্কৃতি শিক্ষাকেন্দ্র রয়েছে। লোকনাথ আশ্রমের উত্তর পার্শ্বেই কেন্দ্রীয় মগধেশ্বরী সেবাখোলা, শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ সেবাশ্রম, দোল চত্বর(গাজারিয়া দিঘীর দক্ষিণ পাড়ে), বিবেকানন্দ স্মৃতি পঞ্চবটী, জগন্নাথ আশ্রম, শ্রীশ্রী চন্ডী মন্দির, শিবপ্রাপ্তি (ত্রিপুরাপাড়া), ব্যাসকুণ্ড (এই কুণ্ড স্নানে গঙ্গা স্নানের ফল, শিবত্ত্ব লাভ, তর্পন করলে অশ্বমেধযজ্ঞ ফল এবং পিতৃলোক মুক্তি ঘটে), ভৈরব মন্দির, শংকরমঠ ও মিশন (সংস্কৃত কলেজ ও অনাথ আশ্রম প্রতিষ্ঠিত, বিশ্বনাথ মন্দির নির্মানাধীন), শ্রীকৃষ্ণ মন্দির, নারায়ণ ছত্র, সীতাকুণ্ড কেন্দ্রীয় মহাশ্মশান, শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্র সৎসঙ্গ আশ্রম, হনুমানজ্বীর মন্দির, সীতার কুণ্ড (সীতা দেবীর স্থান নিমিত্ত এবং মানুষ পবিত্র হওয়ার জন্য মহামুনি ভাগব ঐ মনোহর পূর্ণ সৃষ্টি হয়), শ্রীশ্রী ভবানী মন্দির, শ্রীশ্রী স্বয়ম্ভুনাথ মন্দির, বিরূপাক্ষ মন্দির (এর মাঝামাঝি রয়েছে জগন্নাথ মন্দির, ঊনকোটি শিব মন্দির, মন্দাকিনীর একটি ধারা, ছত্র শিলা, কপিলা আশ্রম) উল্টোকালী বিগ্রহ পাতালপুরী (চন্দ্রনাথ মন্দিরে যাওয়ার পথে রাস্তার বামপাশে নিম্নদিকে প্রায় এক মাইল পথ অতিক্রম করলে), শ্রী শ্রী চন্দ্রনাথ মন্দির (বিরূপাক্ষ মন্দির হতে আনুমানিক আধা মাইল উপরে উঠলে সর্বোচ্চ পর্বত শিখর)। চন্দ্রনাথ স্পর্শে শিবলোক প্রাপ্তি হয়।

বাড়বকুণ্ড: সীতাকুণ্ড বাজার বা রেল স্টেশন হতে সড়ক বা রেল পথে তিন মাইল দক্ষিণে বাড়বকুণ্ড বাজারের পূর্বদিকে পাহাড়ের উপরে রাস্তার ডান পার্শ্বে জ্বালামুখী কালী বাড়ী, পূর্বদিকে আনুমানিক এক মাইল অতিক্রম করলে বাড়বকুণ্ড (এই কুণ্ডের অগ্নি স্পর্শ করলে সর্ব পাপ ক্ষয় হয়), এর আশপাশে রয়েছে বাসীকুণ্ড, কাল ভৈরব মন্দির, অন্নপূর্ণা মন্দির, জগন্নাথ মন্দির, দধিকুণ্ড।

লবণাক্ষ: সীতাকুণ্ড বাজার হতে সড়ক পথে উত্তর দিকে তিন মাইল গেলে ছোটদারোগাহাট বাজার। এখান থেকে দেড় মাইল পূর্বদিকে গেলে লবণাক্ষ কুণ্ড। এর আশেপাশে পাহাড়ের মধ্যে রয়েছে গুরুধুনী, ব্রহ্মকুণ্ড, সীতার কুণ্ড এবং সহস্রধারা।

কুমারীকুণ্ড: সীতাকুণ্ড হতে সড়ক বা রেলপথে দক্ষিণ দিকে নয় মাইল কুমিরা বাজার বা স্টেশন। এখান থেকে পূর্বদিকে পার্বত্য রাস্তায় কিছু দূর গেলে কুমারীকুণ্ড (এখানে দিবা-রাত্রি ২৪ ঘন্টা দশ হাত পরিমাণ জায়গায় অগ্নি শিখা জ্বলছে)।

তীর্থযাত্রীদের থাকার সুব্যবস্থা:
১। বৃটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত সীতাকুণ্ড রেলওয়ে মেলা যাত্রী নিবাস।
২। শ্রীশ্রী ভোলানন্দগিরী সেবাশ্রম।
৩। গিরিশ ধর্মশালা।
৪। নবনির্মিত এন.জি.সাহা তীর্থ যাত্রী নিবাস (দানবীর ননীগোপাল সাহার অর্থায়নে নির্মিত)।
৫। শ্রীশ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী সেবাশ্রম।
৬। শ্রীশ্রী শংকর মঠ ও মিশন তীর্থযাত্রী ভবন।

মেলা কমিটি: শিব চতুর্দশী ও দোল মেলায় সীতাকুণ্ডে দেশ-বিদেশের লক্ষ লক্ষ লোক সমাগম ঘটে। স্বর্গীয়া নিরূপমা মুখার্জীর দানে প্রতিষ্ঠিত সীতাকুণ্ড ডিগ্রী কলেজের পূর্বদিকে ১০০ গজ সামনে রাস্তার দক্ষিণ পার্শ্বে সীতাকুণ্ড মেলা কমিটির কার্যালয়। এখান থেকে মেলায় যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

তীর্থস্থান পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা: তীর্থাদি এবং সম্পত্তির রক্ষণাবেক্ষণ সুষ্ঠু, সুন্দরভাবে পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার জন্য রয়েছে সীতাকুণ্ড স্রাইন কমিটি। যার প্রধান কার্যালয় সীতাকুণ্ড তীর্থ গুরু মোহন্ত মহারাজের আস্তান বাড়িতে।

শিব অসুরকে ধ্বংস করে মঙ্গল প্রতিষ্ঠা করেন। তীর্থ দর্শনে মন পবিত্র হয়। ঐতিহাসিক দর্শনীয় পূর্ণময় তীর্থস্থান, দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ পীঠস্থান, কলিযুগের মহাতীর্থ সীতাকুণ্ড চন্দ্রনাথধামকে জাতীয় তীর্থ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সকলকে এগিয়ে আসার এবং সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি। আমাদের সকলের উপর দেবাদিদেব, মহাদেবের আশীর্বাদ বর্ষিত হোক।

প্রেমতোষ দাস,
প্রধান শিক্ষক, দক্ষিন বগাচতর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
সহ-সভাপতি, সীতাকুণ্ড মেলা কমিটি।

About msmh msmh

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

%d bloggers like this: