Home / পৌরসভা / ক্রেতা-বিক্রেতা শূণ্য সীতাকুণ্ডের মোহন্তের হাট

ক্রেতা-বিক্রেতা শূণ্য সীতাকুণ্ডের মোহন্তের হাট

এম কে মনিরঃ

আর মাত্র ৭ দিন বাকী পবিত্র ঈদুল আযহার। কিন্তু কোথাও যেন নেই ঈদের আমেজ। যার বাস্তব প্রতিফলণ দেখা গেল আজ ২৪ জুলাই শুক্রবার সীতাকুণ্ডের মোহন্তের হাটে। ক্রেতাতো বহু দূর, বিক্রেতাও তেমন আসেননি ঐতিহ্যবাহী এই গরুর বাজারে।

জানা যায়, বরাবরের মত হাট বারের একদিন আগে থেকে ক্রেতা-বিক্রেতাদের অবগতির জন্য উপজেলা জুড়ে মাইকিং করা হয়। কিন্তু এবার হাট কর্তৃপক্ষের এ ঘোষণা যেন কানেই তোলেননি কেউ।

সরেজমিনে দেখা যায়, দুপুর ১টার দিকে মাঠের উত্তর পশ্চিম কোনে ছোট পরিসরে সামিয়ানা টাঙানোর কাজ করছে হাট কর্তৃপক্ষ। কিন্তু বেলা গড়িয়ে যেতে থাকলেও মাত্র ৫০টি গরু ও কয়েকটি ছাগল ওঠতে দেখা যায় হাটে। ঘন্টা দুইয়ের মধ্যে একে একে চলেও যান বিক্রেতারা। আছরের নামাজের পর আর কোন বিক্রেতাকেই ছোখে পড়েনি। এসময় ক্রেতা বা উৎসুক কয়েকজন ব্যক্তি হাটশূণ্য দেখে হতাশা ব্যক্ত করে চলে যান।

এদিকে ঈদের ৭দিন আগেও কেন ক্রেতা বিক্রেতা শূণ্য সীতাকুণ্ডের কোরবানীর হাট?
বিষয়টি নিয়ে কথা বললে স্থানীয়রা জানান, প্রতিবার যারা কোরবানী করেন এবার তাদের অনেকেরই কোরবানী করার সামর্থ নেই। এছাড়া যারা কোরবানী করবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারাও অনেকে করোনার ঝুঁকির মধ্যে হাটে না এসে নিজ এলাকা থেকে পশু ক্রয় করে নিচ্ছেন।

অন্যদিকে হাটের এমন পরিস্থিতির মধ্যে চরম হতাশায় পড়েছেন হাট ইজারাদার কর্তপক্ষ। ইজারাদারদের একজন দেলোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, প্রায় ১২ লক্ষাধিক টাকা দিয়ে আমরা হাটটি ইজারা নিয়েছি। হাট বসার কথা আজকে সহ আরও ২ দিন। অথচ আজ হাটে মাত্র কয়েকটি ছাগল বিক্রি হয়েছে যাতে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা ব্যবসা হয়েছে।

তিনি বলেন, আগামী মঙ্গলবারের হাটেও ভাল বেচাকেনা হবে এমনটা আশা করতে পারছি না।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সীতাকুণ্ডের গ্রামে গ্রামে ঘুরে বেড়াচ্ছেন গরুর দালালরা। তারা নানা দামের গরুর খবর নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণীর ক্রেতার দ্বারস্থ হচ্ছেন। এ প্রক্রিয়ায় বিক্রিও হচ্ছে ভাল।

এছাড়া অনলাইনেও কম বেশী গরু ছাগলের খবর পেয়ে ক্রেতারা খোঁজখবর নিচ্ছেন। এসব কারনেই মূলত কোরবানীর হাটের প্রতি আগ্রহ হারাচ্ছে ক্রেতা বিক্রেতারা।

About admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

%d bloggers like this: